ফের লকডাউনের নির্দেশিকা ( বাঁকুড়া )

24th July 2020 6:38 pm বাঁকুড়া
ফের লকডাউনের নির্দেশিকা  ( বাঁকুড়া )


করোনা সংক্রমণের হার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়ায়  লক ডাউনের পথে হাঁটলো বাঁকুড়া জেলা প্রশাসন। শুক্রবার জেলাশাসক অরুণ প্রসাদ স্বাক্ষরিত এবিষয়ে এক নির্দেশিকা অনুযায়ী আগামী ২৬ জুলাই, রবিবার বিকাল পাঁচটা থেকে ২৯ জুলাই, বুধবার সকাল ছ'পর্যন্ত জেলার তিন পৌরসভা বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর ও সোনামুখীতে সম্পূর্ণ লক ডাউন। ঐ দিনই সকাল ছ'টা থেকে রাজ্য সরকারের নির্দেশানুসারে রাত দশটা পর্যন্ত এই জেলাতেও লক ডাউন কার্যকর থাকবে। তারপর ফের ঐদিনই রাত ১০ টা থেকে পরদিন ৩০ জুলাই বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ঐ তিন পৌরসভায় লক ডাউন কার্যকরী থাকবে বলে জানানো হয়েছে।                                                                                বাঁকুড়া থেকে দেবব্রত মন্ডলের রিপোর্ট





Others News

ফের পথ দুর্ঘটনার বলি 2 : অবরুদ্ধ 60 নং জাতীয় সড়ক ( বাঁকুড়া )

ফের পথ দুর্ঘটনার বলি 2 : অবরুদ্ধ 60 নং জাতীয় সড়ক  ( বাঁকুড়া )


পথ দুর্ঘটনার কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাঁকুড়ার মেজিয়ায়। অবরুদ্ধ বাঁকুড়া- রানিগঞ্জ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক।


ফের পথদুর্ঘটনার বলি ২, বাঁকুড়া- রানীগঞ্জ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের তারাপুরের কাছে ঘটে এই মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনা।ঘটনাটি ঘটে গতকাল গভীর রাতে। স্থানীয় সূত্রে খবর মেজিয়ার দুই বাসিন্দা অমিত দাস ও সুমন ভট্টাচার্য বাইকে করে দুর্লভপুর থেকে মেজিয়া অভিমুখে আসছিলেন। সে সময়  বাঁকুড়া রানীগঞ্জ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের মেজিয়ার তারাপুরের কাছে কোনো এক অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই দুই বাইক আরোহীর। রাতেই মৃতদেহ দুটি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেছে মেজিয়া থানার পুলিশ। দেহ দুটিকে ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠাবে পুলিশ ।এই দিকে এই ঘটনার পরিপেক্ষিতে আজ ভোর থেকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে এই জাতীয় সড়ক। স্থানীয় বাসিন্দারা মৃত দুই পরিবারের সদস্যদের ক্ষতিপূরণের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।অবরোধ এখনো চলছে। লাইন বাই লাইন দাঁড়িয়ে রয়েছে একাধিক লরি ও বাস। হয়রানির শিকার হচ্ছেন নিত্য পথযাত্রী  থেকে শুরু করে স্থানীয় মানুষজন।                                                                                                                                                               বাঁকুড়া থেকে দেবব্রত মন্ডলের রিপোর্ট