মাধ্যমিকে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে সৌম্য পাঠক বাঁকুড়া কেন্দুয়াডিহি স্কুলের ছাত্র

15th July 2020 12:00 pm বাঁকুড়া
মাধ্যমিকে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে সৌম্য পাঠক বাঁকুড়া কেন্দুয়াডিহি স্কুলের ছাত্র


মাধ্যমিকে রাজ্যে তৃতীয় বাঁকুড়ার কেদুয়াডিহী হাইস্কুলের ছাত্র সৌম পাঠক।৭০০ নম্বরের পরীক্ষায় মাধ্যমিকের ৬৯০ নাম্বার পেয়ে মেধাতালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে সে। বাঁকুড়ার রামমোহন পল্লী এলাকায় বাড়ি স্যৌমর। বাবাও হাইস্কুলে শিক্ষকতা করেন মা গৃহবধূ। ভবিষ্যতে সৌম্য মেডিকেল নিয়ে পড়াশোনা করতে চায়। আই এস অফিসার হয়ে দেশের প্রশাসক হতে চায় সে। টাইমবেধে বাঁধাধরা নিয়মের পড়াশোনা করতেন তিনি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও দাবী নিয়মে বেধে পড়াশোনা করলেই সাফল্য আসবে। পড়াশোনার পাশাপাশি সে ছবি আঁকতে ভালোবাসে। এই রেজাল্টের পিছনে তার বাবা-মায়ের অবদান সবথেকে বেশি বলেই দাবি স্যৌমের।





Others News

ফের পথ দুর্ঘটনার বলি 2 : অবরুদ্ধ 60 নং জাতীয় সড়ক ( বাঁকুড়া )

ফের পথ দুর্ঘটনার বলি 2 : অবরুদ্ধ 60 নং জাতীয় সড়ক  ( বাঁকুড়া )


পথ দুর্ঘটনার কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাঁকুড়ার মেজিয়ায়। অবরুদ্ধ বাঁকুড়া- রানিগঞ্জ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক।


ফের পথদুর্ঘটনার বলি ২, বাঁকুড়া- রানীগঞ্জ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের তারাপুরের কাছে ঘটে এই মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনা।ঘটনাটি ঘটে গতকাল গভীর রাতে। স্থানীয় সূত্রে খবর মেজিয়ার দুই বাসিন্দা অমিত দাস ও সুমন ভট্টাচার্য বাইকে করে দুর্লভপুর থেকে মেজিয়া অভিমুখে আসছিলেন। সে সময়  বাঁকুড়া রানীগঞ্জ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের মেজিয়ার তারাপুরের কাছে কোনো এক অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই দুই বাইক আরোহীর। রাতেই মৃতদেহ দুটি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেছে মেজিয়া থানার পুলিশ। দেহ দুটিকে ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠাবে পুলিশ ।এই দিকে এই ঘটনার পরিপেক্ষিতে আজ ভোর থেকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে এই জাতীয় সড়ক। স্থানীয় বাসিন্দারা মৃত দুই পরিবারের সদস্যদের ক্ষতিপূরণের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।অবরোধ এখনো চলছে। লাইন বাই লাইন দাঁড়িয়ে রয়েছে একাধিক লরি ও বাস। হয়রানির শিকার হচ্ছেন নিত্য পথযাত্রী  থেকে শুরু করে স্থানীয় মানুষজন।                                                                                                                                                               বাঁকুড়া থেকে দেবব্রত মন্ডলের রিপোর্ট