বাঘের কবলে মৎস্যজীবী ( সুন্দরবন )

4th July 2020 9:15 am দক্ষিণ 24 পরগনা
বাঘের কবলে মৎস্যজীবী  ( সুন্দরবন )


সুন্দরবন পঞ্চমুখী  জঙ্গলে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে মৎস্যজীবীকে বাঘে তুলে নিয়ে গেল। নিখোঁজ মৎস্যজীবীর নাম যামিনী মিস্ত্রী(৫২)। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার বিকালে প্রত্যন্ত সুন্দরবনের পঞ্চমুখানি ২ নম্বর জঙ্গলে।নিখোঁজ মৎস্যজীবীর বাড়ী  সুন্দরবন কোষ্টাল থানার লাহিড়ীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতর লাহিড়ীপুর গ্রামে। সুন্দরবন জঙ্গলের নদীখাঁড়িতে মাছ কাঁকড়া ধরতে যেতেন মৎস্যজীবি যামিনী মিস্ত্রী ও তাঁর সঙ্গীসাথীরা।ফিরেও আসতেন। অন্যান্য দিনের মতো লাহিড়ীপুর গ্রাম থেকে তিনজন সঙ্গী মিলন মিস্ত্রী,অজিত মন্ডল, ও অসিত মাঝি কে নিয়ে শুক্রবার দুপুর দুটোর দিকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নৌকা নিয়ে সুন্দরবনের পঞ্চমুখানি ২ জঙ্গলে মাছকাঁকড়া ধরার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
এদিন বিকালে সুন্দরবনের নদীখাঁড়িতে যখন সকলে মাছ কাঁকড়া ধরতে ধরছিলেন আপন মনে। ঠিক সেই মুহূর্তে সুন্দরবনের গভীর জঙ্গল থেকে একটি বাঘ বেরিয়ে আসে।লাফ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে যামিনীর উপর।মুহূর্তে তাঁর ঘাড়ে কামড় দিয়ে পিঠে তুলে নিয়ে সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।সঙ্গীকে চোখের সামনে বাঘ আক্রমণ করেছে দেখতে পেয়ে সঙ্গীসাথী মিলন মিস্ত্রী,অজিত মন্ডল, ও অসিত মাঝিরা  নৌকার হাল আর কাঁকড়া ধরার শিক দিয়ে বাঘের সঙ্গে তুমুল লড়াই শুরু করে সঙ্গী কে বাঁচানোর জন্য।ক্ষুধার্ত বাঘ তার শিকার ছাড়তে রাজী নয়।ক্ষুধার্ত বাঘের সাথে দীর্ঘক্ষণ লড়াই করে তিন সঙ্গীসাথী। বাঘের  ভয়ঙ্কর রুদ্রমূর্তির সামনে সঙ্গীকে বাঁচানোর জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েও নিজেদের জীবন বাঁচানোর জন্য রণে ভঙ্গদেয়।অবশেষে বাঘ তার শিকার কে টানতে টানতে সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে চলে যায়।পরক্ষণে আবার বিপদ হতে পেরে ভেবে তিন সঙ্গী  তড়িঘড়ি নৌকার বৈঠা বেয়ে গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।লাহিড়ীপুর গ্রামে গিয়ে যামিনীর বাড়িতে  খবর আসে। পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া।                                 à¦¦à¦•্ষিণ 24পরগনা থেকে বাবলুপ্রামানিক 





Others News

৩ মহিলাকে বেহুশ করে দুঃসাহসিক চুরি তদন্তে পুলিশ

৩ মহিলাকে বেহুশ করে দুঃসাহসিক চুরি তদন্তে পুলিশ


ঢোলাহাট থানা দক্ষিণ রায়পুরে ৩ মহিলাকে বেহুশ করে দুঃসাহসিক চুরি তদন্তে পুলিশ।

 

বাবলুপ্রামানিক, পাথরপ্রতিমা।

 

দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার ঢোলাহাট থানার দক্ষিণ রায়পুর রাজপাড়ায় দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটলো সাইফুল রাজের বাড়িতে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় সাইফুল রাজ এবং তার ছেলে রায়হান রাজ কর্মসূত্রে কেরালা তে থাকে। বাড়ি তে সাইফুলের স্ত্রী মেয়ে এবং বৌমা ছিল। সেই সুযোগে গতকাল রাত্রে এই দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে। আজ সকাল ৮ টা পর্যন্ত সাইফুল রাজের বাড়ির কোন লোক বেরোচ্ছে না দেখে পাশের বাড়ির লোকজন গিয়ে দেখে বেহুঁশ অবস্থায় পড়ে রয়েছে তিনজন দুটি ঘরে। এক ঘরে মা এবং মেয়ে অন্য ঘরে বৌমা। বহু ডাকাডাকির পর সাড়া না দেওয়ায় চিৎকার চেচামেচি করলে এলাকার লোকজন ছুটে আসে। ডাক্তারকে ডাকা হয় ডাক্তার এসে জানিয়ে দেয় এরা বেহুশ রয়েছে হাসপাতালে পাঠাতে হবে। খবর দেওয়া হয় ঢোলাহাট থানায়, থানার পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে পাশের বাড়ির পাশের বাড়ির লাইলী নামে একটি মেয়ে গত 5 দিন আগে শ্বশুরবাড়ি থেকে ভাইদের কাছে আসে, যার বিবাহ হয়েছে ওই একই থানার কোচফলে। গতকাল সন্ধ্যায় লাইলি নামে মেয়েটি রায়হানের স্ত্রীর কাছে ঘুমাতে আসে।সকাল হতে মেয়েটি বেপাত্তা হয়ে যায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায় পাশের বাড়ির একটা কাকে বলে সাইফুল দের বাড়ির সবাই কথা বলছে না বেহুশ হয়ে আছে বলে সে সকালে পালিয়ে যায়। আরো জানা গিয়েছে ঘর করার জন্য গতকাল 65000 হাজার টাকা ব্যাংক থেকে তুলে মারুফ রাজ স্বামীর সাইফুল বাড়িতে রেখেছিল কুলপির ইটভাটায় দেওয়ার জন্য। সেই টাকাসহ ঘরের বাক্স বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙ্গে সোনার গহনা থেকে সবকিছু নিয়ে পালিয়ে যায়। তবে গ্রামবাসীদের অনুমান ওই মেয়েটির একাধারে ঘটনা ঘটেনি কারণ দরজা ভেঙে তিনজনকে বেহুশ করে এত বড় কান্ড ঘটনা ওই মেয়ের একার দ্বারা সম্ভব নয়। ইতিমধ্যে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। অসুস্থ তিনজনকে গদামথুরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।