রক্তদান শিবির

25th June 2020 12:55 pm বর্ধমান
রক্তদান শিবির


পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতাড় ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে আজ আপ্যায়াণ বিয়েবাড়িতে  অনুষ্ঠিত হলো শহীদ জাওয়ানদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির।
লাদাখে সীমান্তে চীনের হামলায় ভারতের যে সমস্ত জাওয়ান নিহত হয়েছেন তাঁদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই রক্তদান শিবির। এই  রক্ত তুলে দেয়া হবে বর্ধমান মেডিকেল কলেজের হাতে।
প্রথমে বীর শহীদ সেনাদের শহীদ বেদীতে মাল্যদান করা হয় ।এরপর এক মিনিট নীরবতা পালন করে রক্তদান শিবির শুরু হয়।
ভাতাড় ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক অশোক কুমার হাজরা জানান,আমরা শহীদ জাওয়ানদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে আজকের এই রক্তদান শিবির করেছি ।পাশাপাশি, যে সমস্ত মানুষ রক্ত দেবেন তাদেরকে একটি করে চারাগাছ তুলে দিচ্ছি সবুজ উন্নয়নের জন্য।  মোট ৩০ জন রক্তদাতা রক্ত দেবেন
এই রক্তদান শিবিরে।

রক্তদান শিবিরে উপস্থিত রয়েছেন ভাতাড় বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ কমল সোম, ভাতাড় ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক অশোক হাজরা, রাজা কার্ফা, ভাতাড় পঞ্চায়েত সমিতির কর্মদক্ষ  মান গোবিন্দ অধিকারী, ভাতাড় থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক প্রণব কুমার ব্যানার্জি, বলগোনা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আমজাদ শেখ, বিশিষ্ট সমাজসেবী অমিত হুই, সঞ্চিত দত্ত, সান্তনু কোনার।





Others News

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়


ভাতারের বাসুদা গ্রামে শাশুড়ি কে পুড়িয়ে মারল জামাই, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বাসুদা গ্রামে মাসি শাশুড়ি কে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ভাতারের বাসুদা গ্রামে।
উল্লেখ্য জামাই কৃষ্ণ মালিক বাড়ি পান্ডুয়াই। তার বিয়ে হয়েছিল ভাতারের কুমারুনগ্রামে গঙ্গা মালিকের সঙ্গে আট বছর আগে। তাদের সাত বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।গঙ্গা মালিকের অভিযোগ গত শুক্রবার তাকে তার স্বামী মারধর করে এবং বাড়ী থেকে বের করে দেয়। সে পান্ডুয়া থেকে চলে আসে ভাতারের তার মাসির বাড়ি বাসুদা গ্রামে।
এরপর তার স্বামী অর্থাৎ কৃষ্ণ মালিক গতকাল অর্থাৎ সোমবার তার মাসি শাশুড়ির বাড়ি বাসুদা গ্রামে আসেন। সেখানে তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও শ্বশুর অজিত মালের সঙ্গে বকাবকি করেন এবং হুমকি দেন তাদেরকে পুড়িয়ে মারবেন।

কৃষ্ণ মাল বকাবকি করে তার বোনের বাড়ি ভাতারের খুরুল গ্রামে চলে যায়।রাত্রি 11 টার সময় এসে ঘরে শুয়ে থাকা তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও অজিত মালকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারতে চাই। ঘটনাস্থলেই তার শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল মারা যান অজিত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজে।

ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ কৃষ্ণ মালিক কে মেমারির হাসপুকুর মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে বিচার বিভাগের জন্য বর্ধমান কোর্টে পাঠানো হচ্ছে।

মৃত জ্যোৎস্না মালের পরিবারের লোকজনের দাবি কৃষ্ণ মালিকের কঠিন সাজা হোক।
সমগ্র ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট। ACN LIFE NEWS