ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য

14th June 2020 1:23 pm বাঁকুড়া
ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য


ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো চুরামনিপুর গ্রামে
ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো চুরামনিপুর গ্রামে। জানা যায় সুজয় মালিক এবং নীলিমা খাতুন এর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল কিছুদিন আগেই নীলিমা সুজয় বেশ কয়েকদিন পালিয়ে যায় পরে আবার সুজয়ের বাড়িতে ফিরে আসে  দুজনে ।সুজয়ের বাড়িতেও স্ত্রী সন্তান আছে আজ সকালে চুরামনিপুর রাস্তার ধারে একটি গাছের গোড়ায় ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান এলাকার মানুষ তড়িঘড়ি পুলিশে খবর দেয়া হয় ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে মৃতদেহ দুটিকে ময়নাতদন্তের জন্য বিষ্ণুপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে  । খূন না মার্ডার তদন্তে কোতুলপুর থানার পুলিশ । স্থানীয় সূত্রে তবে কি হিন্দু-মুসলমান বৈষম্যের কারণেই কি এই ঘটনা নাকি অন্য কোন রহস্য আছে তদন্তে নেমেছে কোতুলপুর থানার পুলিশ।





Others News

ফের পথ দুর্ঘটনার বলি 2 : অবরুদ্ধ 60 নং জাতীয় সড়ক ( বাঁকুড়া )

ফের পথ দুর্ঘটনার বলি 2 : অবরুদ্ধ 60 নং জাতীয় সড়ক  ( বাঁকুড়া )


পথ দুর্ঘটনার কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাঁকুড়ার মেজিয়ায়। অবরুদ্ধ বাঁকুড়া- রানিগঞ্জ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক।


ফের পথদুর্ঘটনার বলি ২, বাঁকুড়া- রানীগঞ্জ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের তারাপুরের কাছে ঘটে এই মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনা।ঘটনাটি ঘটে গতকাল গভীর রাতে। স্থানীয় সূত্রে খবর মেজিয়ার দুই বাসিন্দা অমিত দাস ও সুমন ভট্টাচার্য বাইকে করে দুর্লভপুর থেকে মেজিয়া অভিমুখে আসছিলেন। সে সময়  বাঁকুড়া রানীগঞ্জ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের মেজিয়ার তারাপুরের কাছে কোনো এক অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই দুই বাইক আরোহীর। রাতেই মৃতদেহ দুটি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেছে মেজিয়া থানার পুলিশ। দেহ দুটিকে ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠাবে পুলিশ ।এই দিকে এই ঘটনার পরিপেক্ষিতে আজ ভোর থেকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে এই জাতীয় সড়ক। স্থানীয় বাসিন্দারা মৃত দুই পরিবারের সদস্যদের ক্ষতিপূরণের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।অবরোধ এখনো চলছে। লাইন বাই লাইন দাঁড়িয়ে রয়েছে একাধিক লরি ও বাস। হয়রানির শিকার হচ্ছেন নিত্য পথযাত্রী  থেকে শুরু করে স্থানীয় মানুষজন।                                                                                                                                                               à¦¬à¦¾à¦à¦•ুড়া থেকে দেবব্রত মন্ডলের রিপোর্ট