বেহাল রাস্তা : ভোগান্তিতে নিত্য যাত্রীরা ( মন্তেশ্বর )

10th June 2020 3:29 pm বর্ধমান
বেহাল রাস্তা : ভোগান্তিতে নিত্য যাত্রীরা  ( মন্তেশ্বর )


বর্ধমান থেকে নবদ্বীপ  ভায়া কুসুমগ্রাম, রাইগ্রাম থেকে নাদনঘাট প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত রাস্তা বেহাল দশা। সমস্যাই নিত্য যাত্রী গাড়ি থেকে পথ চলতি সাধারণ মানুষ। এই গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য সরক দিয়ে প্রতিদিন চলে শয়ে শয়ে চলে মাল  বোঝাই গাড়ি থেকে নিত্য যাত্রী গাড়ি। রাস্তায় বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে কোথাও কোথাও হাঁটু সমান গর্ত। বৃষ্টি হলে গর্তে জল জমে চেহারা নাই পুকুরের  মত রাস্তা বোঝা যায় না। ফলে বিপাকে পড়ে গাড়ি চলক প্রতিদিন  গাড়ি দুঘটনার কবলে পড়ছে পণ্যবাহী গাড়ি  থেকে যাত্রীবাহী গাড়ি তার জেরে রাস্তায় আটকে পড়ছে  জরুরি পরিষেবার গাড়ি  লকডাউনের আগে কিছুটা কাজ হলেও লকডাউন থেকে আর কোন কাজ হয়নি। মাঝে  মাঝে  বৃষ্টি হচ্ছে  তার জন্য রাস্তায় জল জমে বেশি খারাপ হয়ছে। এই রাজ্য সরক দিয়ে চলে নবদ্বীপ,বর্ধমান,ভায়া কুসুমগ্রাম রুটে চলে যাত্রীবাহী বাস চলে দূর পাল্লা বাস আনলক ওয়ানে চলাচল করছে কিছু যাত্রীবাহী বাস। রাস্তা  বেহাল দশা জন্য বিপাকে পরছে নিত্য যাত্রী থেকে হাসপাতালে  যাওয়া রুগিরাও। দূরত্ব রাস্তা সারাইরের দাবি গাড়ি চালক থেকে এলাকার মানুষদের।

 

মন্তেশ্বর থেকে  মহেন্দ্রলাল চন্দ্রের রিপোর্ট ।





Others News

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়


ভাতারের বাসুদা গ্রামে শাশুড়ি কে পুড়িয়ে মারল জামাই, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বাসুদা গ্রামে মাসি শাশুড়ি কে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ভাতারের বাসুদা গ্রামে।
উল্লেখ্য জামাই কৃষ্ণ মালিক বাড়ি পান্ডুয়াই। তার বিয়ে হয়েছিল ভাতারের কুমারুনগ্রামে গঙ্গা মালিকের সঙ্গে আট বছর আগে। তাদের সাত বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।গঙ্গা মালিকের অভিযোগ গত শুক্রবার তাকে তার স্বামী মারধর করে এবং বাড়ী থেকে বের করে দেয়। সে পান্ডুয়া থেকে চলে আসে ভাতারের তার মাসির বাড়ি বাসুদা গ্রামে।
এরপর তার স্বামী অর্থাৎ কৃষ্ণ মালিক গতকাল অর্থাৎ সোমবার তার মাসি শাশুড়ির বাড়ি বাসুদা গ্রামে আসেন। সেখানে তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও শ্বশুর অজিত মালের সঙ্গে বকাবকি করেন এবং হুমকি দেন তাদেরকে পুড়িয়ে মারবেন।

কৃষ্ণ মাল বকাবকি করে তার বোনের বাড়ি ভাতারের খুরুল গ্রামে চলে যায়।রাত্রি 11 টার সময় এসে ঘরে শুয়ে থাকা তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও অজিত মালকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারতে চাই। ঘটনাস্থলেই তার শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল মারা যান অজিত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজে।

ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ কৃষ্ণ মালিক কে মেমারির হাসপুকুর মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে বিচার বিভাগের জন্য বর্ধমান কোর্টে পাঠানো হচ্ছে।

মৃত জ্যোৎস্না মালের পরিবারের লোকজনের দাবি কৃষ্ণ মালিকের কঠিন সাজা হোক।
সমগ্র ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট। ACN LIFE NEWS