মৃত ৫ জনের পরিবারের হাতে ১লক্ষ‍্য টাকা করে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেন

3rd June 2020 6:41 pm বর্ধমান
মৃত ৫ জনের পরিবারের হাতে ১লক্ষ‍্য টাকা করে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেন


মঙ্গলবার বর্ধমান জেলা শাসকের কার্যালয়ে বালি চলতি বছরে প্রথম রাতে গলসি ২ব্লকের শিকারপুর এলাকায় একটি বালি বোঝাই লরি একটি ঝুপড়ি বাড়ি উপরেউল্টে যাওয়ায় একি পরিবারের ৫জনের মর্মান্তিক মৃত‍্যু ঘটেছিল ।এই ঘটনায় স্থানীয়  গ্ৰামবাসীদের বিক্ষোভ আছরে পরেছিল ওই এলাকা সহ পাশ্ববর্তী বালি খাদান গুলোর উপরে ।তাই এদিন ওই দূরঘর্টনায় মৃত ৫ জনের পরিবারের হাতে ১লক্ষ‍্য টাকা করে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেন। । জেলাশাসক বিজয় ভারতী অতিরিক্ত জেলা শাসক ভূমি ও ভূমি সংস্কার শশী কুমার চক্রবর্তী মৃতের পরিবারের হাতে  এই চেক তুলে দেন।অতিরিক্ত জেলাশাসক ভূমি ও ভূমি রাজস্ব শশী কুমার চক্রবর্তী বলেন জেলার নিজস্ব তহবিল ডিস্ট্রিক্ট  মিনারেল ফাউন্ডেশন  ফান্ড থেকে মৃত সূচিত্রা মালিকের দুই ছেলে রাজু মালিক ও শ্রীকান্ত মালিকের হাতে ৫০হাজার টাকা করে ১লক্ষ‍্য টাকার চেক তুলে দেওয়া হয় ।এছারাও মৃত বাপি মন্ডল (৩০)তার স্ত্রী মৃত দোলন মন্ডল (২৮)তাদের ৮বছরের কন‍্যা নন্দীনি মন্ডল ,এবং আড়াই বছরের পুত্র সন্তান মৃত আবীর মন্ডলের পক্ষ থেকে বাপি মন্ডলের বাবা রামপ্রসাদ  মন্ডলের হাতে ৪লক্ষ‍্য টাকার চেক তুলে দেওয়া হল ।পূর্ব বর্ধমান থেকে পাপাই সরকারের রিপোর্ট ।





Others News

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়


ভাতারের বাসুদা গ্রামে শাশুড়ি কে পুড়িয়ে মারল জামাই, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বাসুদা গ্রামে মাসি শাশুড়ি কে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ভাতারের বাসুদা গ্রামে।
উল্লেখ্য জামাই কৃষ্ণ মালিক বাড়ি পান্ডুয়াই। তার বিয়ে হয়েছিল ভাতারের কুমারুনগ্রামে গঙ্গা মালিকের সঙ্গে আট বছর আগে। তাদের সাত বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।গঙ্গা মালিকের অভিযোগ গত শুক্রবার তাকে তার স্বামী মারধর করে এবং বাড়ী থেকে বের করে দেয়। সে পান্ডুয়া থেকে চলে আসে ভাতারের তার মাসির বাড়ি বাসুদা গ্রামে।
এরপর তার স্বামী অর্থাৎ কৃষ্ণ মালিক গতকাল অর্থাৎ সোমবার তার মাসি শাশুড়ির বাড়ি বাসুদা গ্রামে আসেন। সেখানে তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও শ্বশুর অজিত মালের সঙ্গে বকাবকি করেন এবং হুমকি দেন তাদেরকে পুড়িয়ে মারবেন।

কৃষ্ণ মাল বকাবকি করে তার বোনের বাড়ি ভাতারের খুরুল গ্রামে চলে যায়।রাত্রি 11 টার সময় এসে ঘরে শুয়ে থাকা তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও অজিত মালকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারতে চাই। ঘটনাস্থলেই তার শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল মারা যান অজিত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজে।

ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ কৃষ্ণ মালিক কে মেমারির হাসপুকুর মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে বিচার বিভাগের জন্য বর্ধমান কোর্টে পাঠানো হচ্ছে।

মৃত জ্যোৎস্না মালের পরিবারের লোকজনের দাবি কৃষ্ণ মালিকের কঠিন সাজা হোক।
সমগ্র ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট। ACN LIFE NEWS