ভাতার থানার মানবিক উদ্যোগে 12 জন পরিযায়ী শ্রমিক ফিরল তাদের বাড়ি

15th May 2020 11:59 am বর্ধমান
ভাতার থানার মানবিক উদ্যোগে 12 জন পরিযায়ী শ্রমিক ফিরল তাদের বাড়ি


ভাতার থানার মানবিক উদ্যোগে 12 জন পরিযায়ী শ্রমিক ফিরল তাদের বাড়ি
পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার থানার টহলরত পুলিশকর্মীরা দেখতে পান প্রায় 12 জন পরিযায়ী শ্রমিক পায়ে হেঁটে আসছেন। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা জানান তারা বিহারের পাটনায় রাজমিস্ত্রির কাজে গিয়েছিলেন। লক ডাউন এর জন্য কোন গাড়ি না পাওয়ায় প্রায় পাঁচ দিন ধরে পায়ে হেঁটে তারা ফিরছেন ।তাদের বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার লালগোলাই।
এরপর ওই শ্রমিকদের প্রথমে ভাতার স্টেট জেনারেল হসপিটালে চিকিৎসা করানো হয় । ভাতার থানার উদ্যোগে তাদের খাবার দেয়া হয়। 
এরপর ওই শ্রমিকদের পূর্ব বর্ধমান জেলার পুলিশ লাইনে পাঠানো হয় ।সেখান থেকে সরকারি বাসে করে তাদের বাড়ি ফিরে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। 
পুলিশের উদ্যোগে খুশি ওই পরিযায়ী শ্রমিকরা।

এক পরিযায়ী শ্রমিক রফিক শেখ জানান পাঁচ দিন ধরে হাঁটতে হাঁটতে পায়ে ফোসকা পড়ে গেছে। আর হাটতে পারছিলাম না এই প্রচণ্ড রোদে ।এরপর ভাতার থানার পুলিশ আমাদেরকে আটক করে, প্রথমে ভয় পেয়ে গেছিলাম। হয়তো বাড়ি ফেরা আর হবেনা। কিন্তু পুলিশ যেভাবে বাড়ি ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করল এবং আমাদেরকে খাবার খাওয়ালো আমরা ধন্য হয়ে গেছে ।এর আগে কোন থানার পুলিশ এরকম ব্যবস্থা করলে এত পরিশ্রম আমাদের হতো না।   আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট। acn life news





Others News

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়


ভাতারের বাসুদা গ্রামে শাশুড়ি কে পুড়িয়ে মারল জামাই, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বাসুদা গ্রামে মাসি শাশুড়ি কে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ভাতারের বাসুদা গ্রামে।
উল্লেখ্য জামাই কৃষ্ণ মালিক বাড়ি পান্ডুয়াই। তার বিয়ে হয়েছিল ভাতারের কুমারুনগ্রামে গঙ্গা মালিকের সঙ্গে আট বছর আগে। তাদের সাত বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।গঙ্গা মালিকের অভিযোগ গত শুক্রবার তাকে তার স্বামী মারধর করে এবং বাড়ী থেকে বের করে দেয়। সে পান্ডুয়া থেকে চলে আসে ভাতারের তার মাসির বাড়ি বাসুদা গ্রামে।
এরপর তার স্বামী অর্থাৎ কৃষ্ণ মালিক গতকাল অর্থাৎ সোমবার তার মাসি শাশুড়ির বাড়ি বাসুদা গ্রামে আসেন। সেখানে তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও শ্বশুর অজিত মালের সঙ্গে বকাবকি করেন এবং হুমকি দেন তাদেরকে পুড়িয়ে মারবেন।

কৃষ্ণ মাল বকাবকি করে তার বোনের বাড়ি ভাতারের খুরুল গ্রামে চলে যায়।রাত্রি 11 টার সময় এসে ঘরে শুয়ে থাকা তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও অজিত মালকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারতে চাই। ঘটনাস্থলেই তার শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল মারা যান অজিত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজে।

ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ কৃষ্ণ মালিক কে মেমারির হাসপুকুর মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে বিচার বিভাগের জন্য বর্ধমান কোর্টে পাঠানো হচ্ছে।

মৃত জ্যোৎস্না মালের পরিবারের লোকজনের দাবি কৃষ্ণ মালিকের কঠিন সাজা হোক।
সমগ্র ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট। ACN LIFE NEWS