মোটর ভ্যান এ ধান নিয়ে আসা কে কেন্দ্র করে গন্ডগোল তার জেরে বাঁশের আঘাতে মৃত্যু হয় দীপঙ্কর নস্করের।

15th May 2020 11:51 am দক্ষিণ 24 পরগনা
মোটর ভ্যান এ ধান নিয়ে আসা কে কেন্দ্র করে গন্ডগোল তার জেরে বাঁশের আঘাতে মৃত্যু হয় দীপঙ্কর নস্করের।


দক্ষিণ 24 পরগনা গোসবার উত্তর চুনাখলী মণ্ডল পাড়াতে দীপঙ্কর নস্কর বস্তা ভর্তি ধান নিয়ে  তার বাড়ির রাস্তা দিয়ে বাজারে যাচ্ছিল ঠিক সেই সময় ওই এলাকার বাপি মণ্ডল খালি ভ্যান নিয়ে উল্টো দিক থেকে এসে ধান ভর্তি ভ্যান এ ধাক্কা মারে। মুহুর্তের মধ্যে সমস্ত ধান রাস্তায় পড়ে যায় এবং দীপঙ্কর নস্কর ভ্যান থেকে রাস্তায় পড়ে যায় তিনি গুরুতর আহত হন । তৎক্ষণাৎ আহত ব্যক্তিকে স্থানীয় ব্লক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় সেখানে অবস্থার উন্নতি হওয় বাড়ি তে নিয়ে আসা হয় । তার পরের দিন বাড়ির সামনে রাস্তায় দীপঙ্কর নস্কর কে দেখা মাত্রই তার উপর অতর্কিতে আক্রমণ করে বাঁশ ও লাঠি দিয়ে বাপি মণ্ডল নেতৃত্বে দুষ্কৃতী রা। সাথে সাথে দীপঙ্কর নস্কর লুটিয়ে পড়লে গ্রাম বাসীরা তাকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে ডাক্তারবাবু তাকে চিকিৎসা করা পরে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। উত্তর চুনাখলি গ্রামে মণ্ডল পাড়ায় মানুষজন ক্ষোভে ফেটে পড়ে। মৃত দীপঙ্কর নস্কর এর পরিবার গোসাবা থানায় অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে।  পরিবারের সদস্য রা থানায় গিয়ে বাপি মণ্ডল সহ আরো তিনজনের বিরুদ্ধ থানায় লিখিত আকারে অভিযোগ দায়ের করে। এখন উত্তর চুনাখালী মণ্ডল পাড়া গ্রামের বাসিন্দারা চাইছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধ কঠোর সাজা।





Others News

৩ মহিলাকে বেহুশ করে দুঃসাহসিক চুরি তদন্তে পুলিশ

৩ মহিলাকে বেহুশ করে দুঃসাহসিক চুরি তদন্তে পুলিশ


ঢোলাহাট থানা দক্ষিণ রায়পুরে ৩ মহিলাকে বেহুশ করে দুঃসাহসিক চুরি তদন্তে পুলিশ।

 

বাবলুপ্রামানিক, পাথরপ্রতিমা।

 

দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার ঢোলাহাট থানার দক্ষিণ রায়পুর রাজপাড়ায় দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটলো সাইফুল রাজের বাড়িতে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় সাইফুল রাজ এবং তার ছেলে রায়হান রাজ কর্মসূত্রে কেরালা তে থাকে। বাড়ি তে সাইফুলের স্ত্রী মেয়ে এবং বৌমা ছিল। সেই সুযোগে গতকাল রাত্রে এই দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে। আজ সকাল ৮ টা পর্যন্ত সাইফুল রাজের বাড়ির কোন লোক বেরোচ্ছে না দেখে পাশের বাড়ির লোকজন গিয়ে দেখে বেহুঁশ অবস্থায় পড়ে রয়েছে তিনজন দুটি ঘরে। এক ঘরে মা এবং মেয়ে অন্য ঘরে বৌমা। বহু ডাকাডাকির পর সাড়া না দেওয়ায় চিৎকার চেচামেচি করলে এলাকার লোকজন ছুটে আসে। ডাক্তারকে ডাকা হয় ডাক্তার এসে জানিয়ে দেয় এরা বেহুশ রয়েছে হাসপাতালে পাঠাতে হবে। খবর দেওয়া হয় ঢোলাহাট থানায়, থানার পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে পাশের বাড়ির পাশের বাড়ির লাইলী নামে একটি মেয়ে গত 5 দিন আগে শ্বশুরবাড়ি থেকে ভাইদের কাছে আসে, যার বিবাহ হয়েছে ওই একই থানার কোচফলে। গতকাল সন্ধ্যায় লাইলি নামে মেয়েটি রায়হানের স্ত্রীর কাছে ঘুমাতে আসে।সকাল হতে মেয়েটি বেপাত্তা হয়ে যায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায় পাশের বাড়ির একটা কাকে বলে সাইফুল দের বাড়ির সবাই কথা বলছে না বেহুশ হয়ে আছে বলে সে সকালে পালিয়ে যায়। আরো জানা গিয়েছে ঘর করার জন্য গতকাল 65000 হাজার টাকা ব্যাংক থেকে তুলে মারুফ রাজ স্বামীর সাইফুল বাড়িতে রেখেছিল কুলপির ইটভাটায় দেওয়ার জন্য। সেই টাকাসহ ঘরের বাক্স বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙ্গে সোনার গহনা থেকে সবকিছু নিয়ে পালিয়ে যায়। তবে গ্রামবাসীদের অনুমান ওই মেয়েটির একাধারে ঘটনা ঘটেনি কারণ দরজা ভেঙে তিনজনকে বেহুশ করে এত বড় কান্ড ঘটনা ওই মেয়ের একার দ্বারা সম্ভব নয়। ইতিমধ্যে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। অসুস্থ তিনজনকে গদামথুরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।