দামোদর নদে তলিয়ে গেল এক ব্যক্তি

10th May 2020 3:37 pm বর্ধমান
দামোদর নদে তলিয়ে গেল এক ব্যক্তি


গবাদি পশুকে স্নান করাতে গিয়ে দামোদর নদে তলিয়ে গেল এক ব্যক্তি, ঘটনাটি ঘটেছে খণ্ডঘোষ ব্লকের শশঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত আতকুল্লা গ্রামে, এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় গতকাল বৈকাল তিনটার সময় আতকুল্লা গ্রামের বাসিন্দা অনিল রায় বয়স আনুমানিক 65 বছর তিনি দামোদর নদে গবাদি পশুর স্নান করাতে আসেন তারপর তিনি নিজে সান করতে নামেন নদীতে তারপরে কোনরকম ভাবে নদীর জলে তলিয়ে যান, বিষয়টি সন্ধ্যাবেলায় এলাকাবাসীদের নজরে আসে তারপর তারা নদীর ঘাটে এসে দেখেন ওই ব্যক্তির জামাকাপড় নদীর পাড়ে পড়ে রয়েছে এই থাকি এলাকাবাসীদের সন্দেহ এবং খন্ডঘোস থানায় খবর দেয়া হয় গতকাল রাত পর্যন্ত খোঁজাখুঁজি করা হয় এবং আজ সকাল থেকে সারাদিন বোট এবং ডুবুরি দিয়ে খোঁজাখুঁজি চালাই প্রশাসন, এখনো পর্যন্ত ওই ব্যক্তির দেহ খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়নি তবে প্রশাসন জোরকদমে খোঁজাখুঁজি করছেন, এই ঘটনার জেরে তার পরিবার সহ এলাকাবাসীরা শোকাহত হয়ে পড়েন। এদিন সকালে খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ এবং খণ্ডঘোষ এর বিডিও কমল কান্তি তলা পাত্র নদীর ঘাটে আসেন। 

খন্ডঘোষ থেকে মীর ওজলের রিপোর্ট





Others News

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়


ভাতারের বাসুদা গ্রামে শাশুড়ি কে পুড়িয়ে মারল জামাই, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বাসুদা গ্রামে মাসি শাশুড়ি কে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ভাতারের বাসুদা গ্রামে।
উল্লেখ্য জামাই কৃষ্ণ মালিক বাড়ি পান্ডুয়াই। তার বিয়ে হয়েছিল ভাতারের কুমারুনগ্রামে গঙ্গা মালিকের সঙ্গে আট বছর আগে। তাদের সাত বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।গঙ্গা মালিকের অভিযোগ গত শুক্রবার তাকে তার স্বামী মারধর করে এবং বাড়ী থেকে বের করে দেয়। সে পান্ডুয়া থেকে চলে আসে ভাতারের তার মাসির বাড়ি বাসুদা গ্রামে।
এরপর তার স্বামী অর্থাৎ কৃষ্ণ মালিক গতকাল অর্থাৎ সোমবার তার মাসি শাশুড়ির বাড়ি বাসুদা গ্রামে আসেন। সেখানে তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও শ্বশুর অজিত মালের সঙ্গে বকাবকি করেন এবং হুমকি দেন তাদেরকে পুড়িয়ে মারবেন।

কৃষ্ণ মাল বকাবকি করে তার বোনের বাড়ি ভাতারের খুরুল গ্রামে চলে যায়।রাত্রি 11 টার সময় এসে ঘরে শুয়ে থাকা তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও অজিত মালকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারতে চাই। ঘটনাস্থলেই তার শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল মারা যান অজিত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজে।

ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ কৃষ্ণ মালিক কে মেমারির হাসপুকুর মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে বিচার বিভাগের জন্য বর্ধমান কোর্টে পাঠানো হচ্ছে।

মৃত জ্যোৎস্না মালের পরিবারের লোকজনের দাবি কৃষ্ণ মালিকের কঠিন সাজা হোক।
সমগ্র ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট। ACN LIFE NEWS