বাড়ির দেয়াল ভেঙে কর্তব্যরত এক শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য

8th May 2020 7:18 pm বর্ধমান
বাড়ির দেয়াল ভেঙে কর্তব্যরত এক শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য


লকডাউনের মধ্যেই অবৈধ ভাবে নির্মিত একটি বাড়ির বিপজ্জনক অংশ ভাঙ্গাভাঙির কাজ করার সময় বাড়িটির একটি দেওয়াল ভেঙে কর্তব্যরত এক শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল শুত্রুবার দুপুরে। ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান শহরের নতুনপল্লী, কবরস্থান এলাকায়। যদিও দুর্ঘটনা ঘটার পরেও বাড়ি মালিক মধুমিতা দে প্রশাসনকে কিছুই জানায়নি বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। যদিও বর্ধমান থানার পুলিশ ইতিমধ্যে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

মৃত শ্রমিক জয়ন্ত ব্যানার্জির(২৮) আত্মীয় উত্তম কর্মকার জানিয়েছেন, তাঁরা বর্ধমান থানায় এব্যাপারে লিখিত অভিযোগ জানাবেন। তিনি জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরেই নতুনপল্লী এলাকার মৌসুমী ক্লাবের কাছে গলির ভিতর একটি নির্মিয়মান বাড়ির বিপজ্জনক অংশ ভাঙ্গাভাঙি করার কাজ লকডাউনে মাঝেই তাঁর ভাই জয়ন্ত। এদিন দুপুরে হঠাৎই বাড়িটির সামনের একটি বড় অংশ হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে জয়ন্তর মাথার ওপরে। গুরুতর আহত অবস্থায় অপর আরেক শ্রমিক এবং ঠিকাদার আহত শ্রমিক কে নিয়ে একটি টোটো করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আহত শ্রমিক কে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে খোদ বাড়ি মালিক এই ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরে তার আরেকটি বাড়িতে নিজেকে তালা বন্ধ করে নেন। অনেক ডাকাডাকির পর মধুমিতা দে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের জানান, তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তবে তিনি শুনেছেন তারই নিয়োজিত ঠিকাদার দুজন শ্রমিক কে নিয়ে বাড়ির ভাঙা অংশ থেকে কিছু সামগ্রী বের করার কাজ করছিলেন। তখনই একটি অংশ ভেঙে পড়ে একজন শ্রমিক আহত হয়েছেন। তাকে বর্ধমান মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। যদিও মধুমিতা দে স্বীকার করেছেন এই ঘটনার বিষয়ে তিনি প্রশাসন কে কিছুই জানান নি। পাশাপাশি এই কাজ করার জন্য প্রশাসনিক কোনো অনুমতিও তিনি নেননি।

এলাকাবাসীদের অভিযোগ, যে বাড়িটিতে ভাঙ্গাভাঙ্গির কাজ চলছিল সেটি অবৈধ ভাবে নির্মিত।পূর্ব বর্ধমান থেকে পাপাই সরকারের রিপোর্ট ।





Others News

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়


ভাতারের বাসুদা গ্রামে শাশুড়ি কে পুড়িয়ে মারল জামাই, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বাসুদা গ্রামে মাসি শাশুড়ি কে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ভাতারের বাসুদা গ্রামে।
উল্লেখ্য জামাই কৃষ্ণ মালিক বাড়ি পান্ডুয়াই। তার বিয়ে হয়েছিল ভাতারের কুমারুনগ্রামে গঙ্গা মালিকের সঙ্গে আট বছর আগে। তাদের সাত বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।গঙ্গা মালিকের অভিযোগ গত শুক্রবার তাকে তার স্বামী মারধর করে এবং বাড়ী থেকে বের করে দেয়। সে পান্ডুয়া থেকে চলে আসে ভাতারের তার মাসির বাড়ি বাসুদা গ্রামে।
এরপর তার স্বামী অর্থাৎ কৃষ্ণ মালিক গতকাল অর্থাৎ সোমবার তার মাসি শাশুড়ির বাড়ি বাসুদা গ্রামে আসেন। সেখানে তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও শ্বশুর অজিত মালের সঙ্গে বকাবকি করেন এবং হুমকি দেন তাদেরকে পুড়িয়ে মারবেন।

কৃষ্ণ মাল বকাবকি করে তার বোনের বাড়ি ভাতারের খুরুল গ্রামে চলে যায়।রাত্রি 11 টার সময় এসে ঘরে শুয়ে থাকা তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও অজিত মালকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারতে চাই। ঘটনাস্থলেই তার শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল মারা যান অজিত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজে।

ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ কৃষ্ণ মালিক কে মেমারির হাসপুকুর মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে বিচার বিভাগের জন্য বর্ধমান কোর্টে পাঠানো হচ্ছে।

মৃত জ্যোৎস্না মালের পরিবারের লোকজনের দাবি কৃষ্ণ মালিকের কঠিন সাজা হোক।
সমগ্র ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট। ACN LIFE NEWS