মঙ্গলকোটের শিমুলিয়া এক নম্বর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ও অনুব্রত মন্ডল এর নির্দেশে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ।

4th May 2020 4:33 pm বর্ধমান
মঙ্গলকোটের শিমুলিয়া এক নম্বর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ও অনুব্রত মন্ডল এর নির্দেশে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ।


শিরোনামঃ
মঙ্গলকোটের শিমুলিয়া এক নম্বর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ও অনুব্রত মন্ডল এর নির্দেশে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ। 

পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের শিমুলিয়া এক নম্বর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ও অনুব্রত মণ্ডল এবং অপূর্ব চৌধুরীর নির্দেশে প্রায় 500 টি দারিদ্র পরিবারের হাতে তুলে দেয়া হলো খাদ্য সামগ্রী।এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয় শিমুলিয়া গ্রামে দলীয় কার্যালয়ে।
বর্তমানে করোনা ভাইরাসের  জেরে গোটা বিশ্ব আতঙ্কিত। কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ।
সেই সমস্ত মানুষদের কথা চিন্তা করে আজ চাল-ডাল, সোয়াবিন, আলু ও সাবান দেয়া হলো। মঙ্গলকোটের শিমুলিয়া এক নম্বর  অঞ্চল তৃনমূল কংগ্রেসের  উদ্যোগে খুশি এলাকার মানুষ ।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিমুলিয়া এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মাধব চন্দ্র দাস, তৃণমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী শেখ শের আলী, সন্টু মন্ডল, হাসমত আলী, শেখ আসাদুল্লাহ, সেখ নজরুল,   

শিমুলিয়া এক অঞ্চলের অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী শেখ খুদু জানান, এই সময় মানুষ কাজ হারিয়েছে ।তাই তাদের কথা চিন্তা করে আমরা সামান্য কিছু খাদ্য সামগ্রী তুলে দিলাম। আগামীতেও আমরা মানুষের পাশে থাকব । মঙ্গলকোট থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট।





Others News

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়


ভাতারের বাসুদা গ্রামে শাশুড়ি কে পুড়িয়ে মারল জামাই, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বাসুদা গ্রামে মাসি শাশুড়ি কে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ভাতারের বাসুদা গ্রামে।
উল্লেখ্য জামাই কৃষ্ণ মালিক বাড়ি পান্ডুয়াই। তার বিয়ে হয়েছিল ভাতারের কুমারুনগ্রামে গঙ্গা মালিকের সঙ্গে আট বছর আগে। তাদের সাত বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।গঙ্গা মালিকের অভিযোগ গত শুক্রবার তাকে তার স্বামী মারধর করে এবং বাড়ী থেকে বের করে দেয়। সে পান্ডুয়া থেকে চলে আসে ভাতারের তার মাসির বাড়ি বাসুদা গ্রামে।
এরপর তার স্বামী অর্থাৎ কৃষ্ণ মালিক গতকাল অর্থাৎ সোমবার তার মাসি শাশুড়ির বাড়ি বাসুদা গ্রামে আসেন। সেখানে তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও শ্বশুর অজিত মালের সঙ্গে বকাবকি করেন এবং হুমকি দেন তাদেরকে পুড়িয়ে মারবেন।

কৃষ্ণ মাল বকাবকি করে তার বোনের বাড়ি ভাতারের খুরুল গ্রামে চলে যায়।রাত্রি 11 টার সময় এসে ঘরে শুয়ে থাকা তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও অজিত মালকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারতে চাই। ঘটনাস্থলেই তার শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল মারা যান অজিত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজে।

ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ কৃষ্ণ মালিক কে মেমারির হাসপুকুর মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে বিচার বিভাগের জন্য বর্ধমান কোর্টে পাঠানো হচ্ছে।

মৃত জ্যোৎস্না মালের পরিবারের লোকজনের দাবি কৃষ্ণ মালিকের কঠিন সাজা হোক।
সমগ্র ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট। ACN LIFE NEWS