ভাতাড় ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির

1st May 2020 বর্ধমান
ভাতাড় ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির


ভাতাড় ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির।

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের ফলে মানবজাতি আতঙ্কিত। ইতিমধ্যেই ভারতবর্ষে জারি হয়েছে লকডাউন। যার ফলে  রক্ত সংকট দেখা  গিয়েছে  বিভিন্ন হাসপাতাল গুলিতে।
এই রক্ত সংকট পূরণের উদ্দেশ্যে ভাতাড় ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়।

এই মহতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভাতাড় থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি প্রণব কুমার ব্যানার্জি, প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা, ভূমি কর্মাদক্ষ মানগোবিন্দ অধিকারী, জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ মহেন্দ্রনাথ হাজরা, ভাতাড় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি সঞ্চিত দত্ত  সহ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

ভাতাড় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি সঞ্চিত দত্ত জানান, রক্তদান জীবন দান ।স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশ অনুসারে 30  জন রক্তদাতা রক্ত দান করেন। এই রক্ত আমরা বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিলাম। এবং আগামী দিনেও এইধরনের সমাজসেবামূলক কাজে ভাতাড় ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যরা এগিয়ে যাবে।





Others News

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়


ভাতারের বাসুদা গ্রামে শাশুড়ি কে পুড়িয়ে মারল জামাই, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বাসুদা গ্রামে মাসি শাশুড়ি কে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ভাতারের বাসুদা গ্রামে।
উল্লেখ্য জামাই কৃষ্ণ মালিক বাড়ি পান্ডুয়াই। তার বিয়ে হয়েছিল ভাতারের কুমারুনগ্রামে গঙ্গা মালিকের সঙ্গে আট বছর আগে। তাদের সাত বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।গঙ্গা মালিকের অভিযোগ গত শুক্রবার তাকে তার স্বামী মারধর করে এবং বাড়ী থেকে বের করে দেয়। সে পান্ডুয়া থেকে চলে আসে ভাতারের তার মাসির বাড়ি বাসুদা গ্রামে।
এরপর তার স্বামী অর্থাৎ কৃষ্ণ মালিক গতকাল অর্থাৎ সোমবার তার মাসি শাশুড়ির বাড়ি বাসুদা গ্রামে আসেন। সেখানে তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও শ্বশুর অজিত মালের সঙ্গে বকাবকি করেন এবং হুমকি দেন তাদেরকে পুড়িয়ে মারবেন।

কৃষ্ণ মাল বকাবকি করে তার বোনের বাড়ি ভাতারের খুরুল গ্রামে চলে যায়।রাত্রি 11 টার সময় এসে ঘরে শুয়ে থাকা তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও অজিত মালকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারতে চাই। ঘটনাস্থলেই তার শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল মারা যান অজিত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজে।

ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ কৃষ্ণ মালিক কে মেমারির হাসপুকুর মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে বিচার বিভাগের জন্য বর্ধমান কোর্টে পাঠানো হচ্ছে।

মৃত জ্যোৎস্না মালের পরিবারের লোকজনের দাবি কৃষ্ণ মালিকের কঠিন সাজা হোক।
সমগ্র ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট। ACN LIFE NEWS