গলায় কৈ মাছ ঢুকে মৃত্যু, শোকের ছায়া পরিবারে

1st May 2020 দক্ষিণ 24 পরগনা
গলায় কৈ মাছ ঢুকে মৃত্যু, শোকের ছায়া পরিবারে


গলায় কৈ মাছ ঢুকে মৃত্যু, শোকের ছায়া পরিবারে

মৃতের নাম চুনো মন্ডল(৫০)। পেশায় আচার ব্যবসায়ী রাস্তায় ঘুরে ঘুরে  আচার বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। লকডাউন এর  প্রভাবে বন্ধ হয়ে গেছিল তার জীবন জীবিকা । তাই সংসার চালানোর তাগিদে বাড়ির পুকুর থেকে মাছ ধরে বিক্রি করতেন। এদিন সেই আশাতেই পুকুরে নেমেছিলেন। হাচা করে মাছ ধরছিলেন, তখন একটি কই মাছ ধরেন। সেটিকে মুখের মধ্যে দাঁত দিয়ে চেপে রেখে আবার মাছ ধরার চেষ্টা করেন। আর তাতেই বিপদ ঘটে। মুখ থেকে অসাবধানতা বশত গলায় কৈ মাছ গলায় ঢুকে যায়। তড়িঘড়ি বাড়ির লোকজন ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসতে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে ক্যানিং থানা পুলিশ। শোকের ছায়া পরিবারে ও এলাকায়।





Others News

৩ মহিলাকে বেহুশ করে দুঃসাহসিক চুরি তদন্তে পুলিশ

৩ মহিলাকে বেহুশ করে দুঃসাহসিক চুরি তদন্তে পুলিশ


ঢোলাহাট থানা দক্ষিণ রায়পুরে ৩ মহিলাকে বেহুশ করে দুঃসাহসিক চুরি তদন্তে পুলিশ।

 

বাবলুপ্রামানিক, পাথরপ্রতিমা।

 

দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার ঢোলাহাট থানার দক্ষিণ রায়পুর রাজপাড়ায় দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটলো সাইফুল রাজের বাড়িতে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় সাইফুল রাজ এবং তার ছেলে রায়হান রাজ কর্মসূত্রে কেরালা তে থাকে। বাড়ি তে সাইফুলের স্ত্রী মেয়ে এবং বৌমা ছিল। সেই সুযোগে গতকাল রাত্রে এই দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে। আজ সকাল ৮ টা পর্যন্ত সাইফুল রাজের বাড়ির কোন লোক বেরোচ্ছে না দেখে পাশের বাড়ির লোকজন গিয়ে দেখে বেহুঁশ অবস্থায় পড়ে রয়েছে তিনজন দুটি ঘরে। এক ঘরে মা এবং মেয়ে অন্য ঘরে বৌমা। বহু ডাকাডাকির পর সাড়া না দেওয়ায় চিৎকার চেচামেচি করলে এলাকার লোকজন ছুটে আসে। ডাক্তারকে ডাকা হয় ডাক্তার এসে জানিয়ে দেয় এরা বেহুশ রয়েছে হাসপাতালে পাঠাতে হবে। খবর দেওয়া হয় ঢোলাহাট থানায়, থানার পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে পাশের বাড়ির পাশের বাড়ির লাইলী নামে একটি মেয়ে গত 5 দিন আগে শ্বশুরবাড়ি থেকে ভাইদের কাছে আসে, যার বিবাহ হয়েছে ওই একই থানার কোচফলে। গতকাল সন্ধ্যায় লাইলি নামে মেয়েটি রায়হানের স্ত্রীর কাছে ঘুমাতে আসে।সকাল হতে মেয়েটি বেপাত্তা হয়ে যায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায় পাশের বাড়ির একটা কাকে বলে সাইফুল দের বাড়ির সবাই কথা বলছে না বেহুশ হয়ে আছে বলে সে সকালে পালিয়ে যায়। আরো জানা গিয়েছে ঘর করার জন্য গতকাল 65000 হাজার টাকা ব্যাংক থেকে তুলে মারুফ রাজ স্বামীর সাইফুল বাড়িতে রেখেছিল কুলপির ইটভাটায় দেওয়ার জন্য। সেই টাকাসহ ঘরের বাক্স বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙ্গে সোনার গহনা থেকে সবকিছু নিয়ে পালিয়ে যায়। তবে গ্রামবাসীদের অনুমান ওই মেয়েটির একাধারে ঘটনা ঘটেনি কারণ দরজা ভেঙে তিনজনকে বেহুশ করে এত বড় কান্ড ঘটনা ওই মেয়ের একার দ্বারা সম্ভব নয়। ইতিমধ্যে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। অসুস্থ তিনজনকে গদামথুরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।