সৌমেন কার্ফা উদ্যোগে মহারাষ্ট্র পুলিশ এর উদ্যোগে খাবার পাঠানো হলো

30th April 2020 বর্ধমান
সৌমেন কার্ফা উদ্যোগে মহারাষ্ট্র পুলিশ এর উদ্যোগে খাবার পাঠানো হলো


ভাতাড়ের বামশোরের ২০ জন,ভূমশোরের ১০ জন এবং কেতুগ্রাম ও মঙ্গলকোট বিধানসভার ২৫ জন, সবমিলিয়ে মোট ৫৫ জন পরিযায়ী শ্রমিক মহারাষ্ট্র এরা ধারাবি ও বান্দরা এলাকায় লকডাউনে আটকে পড়ে,বামশোর গ্রামের সেখ জিয়াবুল,সেখ রাজা,সেখ বাপি এবং ভূমশোর গ্রামের সেখ বাবুল এবং কেতুগ্রামের ময়না সেখ সহ মোট ৫৫ জন খাবার ও অর্থনৈতিক সঙ্কটে ুপড়েন এবং তারা ফোন করে যোগাযোগ করে আমাদের ভাতাড় বিধানসভার ভূমিপুত্র জননেতা সৌমেন কার্ফার সাথে। সৌমেন কার্ফা মহারাষ্ট্র প্রশাসন ও পুলিশের সাথে কথা বলেন,তারপর  মহারাষ্ট্র এর পুলিশ গিয়ে তাদের খাবার ব্যাবস্থা করেন।আমরা ভাতাড় বিধানসভার নাগরিক,বুদ্ধিজীবি,মিডায়ার তরফ থেকে ধন্যবাদ জানাই মহারাষ্ট্র এর সরকার ও পুলিশকে যারা বাংলার অসহায় শ্রমিক ও যুবকদের দিনরাত পরিষেবা দিচ্ছেন। দল মত রঙ ধর্ম না দেখে সৌমেন কার্ফা যেভাবে ভাতাড় তথা পূর্ব বর্ধমান জেলার অসহায় মানুষগুলো পাশে দাঁড়াচ্ছেন তাতে সৌমেন কার্ফাকে ধন্যবাদ জানাই।জননেতা সৌমেন কার্ফা তুমি এগিয়ে চলো,ভাতাড়ের মানুষ তোমার সঙ্গে আছে।করোনা মহামারীর সময় তোমার এই জনগনকে দেওয়া অক্লান্ত পরিশ্রম ও পরিষেবা তোমাকে ভাতাড়ের জনগন ভাতাড়ের মাটি কাছে চিরস্মরণীয় করে রাখবে।





Others News

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়


ভাতারের বাসুদা গ্রামে শাশুড়ি কে পুড়িয়ে মারল জামাই, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বাসুদা গ্রামে মাসি শাশুড়ি কে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ভাতারের বাসুদা গ্রামে।
উল্লেখ্য জামাই কৃষ্ণ মালিক বাড়ি পান্ডুয়াই। তার বিয়ে হয়েছিল ভাতারের কুমারুনগ্রামে গঙ্গা মালিকের সঙ্গে আট বছর আগে। তাদের সাত বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।গঙ্গা মালিকের অভিযোগ গত শুক্রবার তাকে তার স্বামী মারধর করে এবং বাড়ী থেকে বের করে দেয়। সে পান্ডুয়া থেকে চলে আসে ভাতারের তার মাসির বাড়ি বাসুদা গ্রামে।
এরপর তার স্বামী অর্থাৎ কৃষ্ণ মালিক গতকাল অর্থাৎ সোমবার তার মাসি শাশুড়ির বাড়ি বাসুদা গ্রামে আসেন। সেখানে তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও শ্বশুর অজিত মালের সঙ্গে বকাবকি করেন এবং হুমকি দেন তাদেরকে পুড়িয়ে মারবেন।

কৃষ্ণ মাল বকাবকি করে তার বোনের বাড়ি ভাতারের খুরুল গ্রামে চলে যায়।রাত্রি 11 টার সময় এসে ঘরে শুয়ে থাকা তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও অজিত মালকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারতে চাই। ঘটনাস্থলেই তার শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল মারা যান অজিত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজে।

ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ কৃষ্ণ মালিক কে মেমারির হাসপুকুর মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে বিচার বিভাগের জন্য বর্ধমান কোর্টে পাঠানো হচ্ছে।

মৃত জ্যোৎস্না মালের পরিবারের লোকজনের দাবি কৃষ্ণ মালিকের কঠিন সাজা হোক।
সমগ্র ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট। ACN LIFE NEWS